আজঃ সোমবার ● ১১ই কার্তিক ১৪২৭ ● ২৬শে অক্টোবর ২০২০ ● ৮ই রবিউল-আউয়াল ১৪৪২ ● সন্ধ্যা ৬:২৩
শিরোনাম

By মুক্তি বার্তা

প্রধানমন্ত্রীর কাছে বরিশালের উন্নয়নের দাবিতে সাবেক এমপি মনি’র খোলা চিঠি

ফাইল ছবি

বাংলাদেশ উন্নয়ন প্রচেষ্টা ও দক্ষিণ বাংলা উন্নয়ন পরিষদের আহ্বায়ক বরিশাল-২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মনিরুল ইসলাম মনি বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার  কাছে বরিশালের অবশিষ্ট উন্নয়নের জন্য খোলা চিঠির মাধ্যমে আবেদন করেছেন।

খোলা চিঠিতে তিনি বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা,প্রাচীন,ঐতিহ্যবাহী ও জনপ্রিয় রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের বার বার নির্বাচিত সভাপতি ও সংসদ নেতা সর্বোপরি একজন মমতাময়ী মা । আপনার শাসনামলে আবহেলিত দক্ষিণাঞ্চলের অভূতপূর্ব  উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। তবুও দক্ষিনাঞ্চল বাসীর আপনার নিকট প্রত্যাশা অপরিসীম। বরিশালবাসীর প্রাণের দাবিগুলো হল চাখার শেরে বাংলা বিশ^বিদ্যালয়,বিজ্ঞান কারিগরি ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয় স্থাপন,বরিশালে বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন,পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলায় শ্রীরামকাঠী নদী বন্দর হতে কালিগঙ্গা নদীতে ফেরী দিয়ে অপর পাশে নেছারাবাদ (স্বরুপকাঠী) ভরতকাঠী, দইহারী ইউনিয়ন ও তৎসংলগ্ন এলাকার মানুষের যাতায়াতের ব্যবস্থাকরণ। বরিশাল -ভোলা ব্রিজ, ভোলার শাবাজপুর হতে বরিশাল হয়ে বঙ্গবন্ধুর সমাধি ক্ষেত্র টুঙ্গিপাড়া পর্যন্ত গ্যাস সংযোগ,বরিশাল গড়িয়ার পাড় হতে বানারীপাড়া হয়ে বঙ্গবন্ধু সমাধি ক্ষেত্র পর্যন্ত চার লেন সড়ক নির্মান,বানারীপাড়া – নেছারাবাদ (স্বরুপকাঠী) –কাউখালী-পিরোজপুর হয়ে শেখের হাট চার লেন সড়ক নির্মান,বরিশালের আর ডি এইচ গড়িয়ার পাড় হতে বানারীপাড়া-বাইশারী বাশবাড়ীয় সড়ক চার লেনে উন্নতী করণ,বরিশাল বিমান বন্দরকে আর্ন্তজাতিক মানের বিমাণ বন্দরে উন্নীত করণ.বানারীপাড়া ও নেছারাবাদ (স্বরুপকাঠী) সন্ধ্যা নদীতে ব্রীজ নির্মান,বরিশাল বিভাগের ভোলা জেলার লাল মোহন (নাজিরপুর) হতে কালাইয়া বন্দর বাউফল পর্যন্ত  সড়ক ও তেতুলিয়া নদীতে ব্রিজ নির্মাণ। প্রসঙ্গত পটুয়াখালী বাউফল উপজেলার যে কৃতি সন্তানদের জন্মভ’মি তারা হলেন  শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক (পিতৃপুরুষ বাউফল উপজেলায়) , শেরে বাংলা কেবিনেটের মন্ত্রী মনরঞ্জন শিকদার  মন্ত্রী , সাবেক চিফ হুইপ ও সাত বারের সংসদ সদস্য আ স ম ফিরোজ, প্রধান নির্বাচন কমিশনার এম নুরুল হুদা ,মেজর জেনারেল এম এ মামুন (সি এম (অবঃ) , রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. এম শাসছুল হক,সাবেক সাংসদ  সৈয়দ আশরাফ হোসাইন, কবি সুফি মোতাহার হোসাইন, পরমানু বিজ্ঞানী ড. আব্দুল সোবহান ,  সাবেক সাংসদ আজিজ খন্দকার, ঢাবির সাবেক অধ্যাপক মাহমুদ এমরান , সাবেক বিচারপতি বদরুল হক বাচ্চু, সাবেক এমএনএ  এডভোকেট এমদাদ আলী ,  জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য অধ্যাপক আবুল কাসেম  প্রমুখ ।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমরা জানি বানারীপাড়া, নেছারাবদ (স্বরুপকাঠী), উজিরপুর, বাবুগঞ্জ, নাজিরপুর, ঝালকাঠী, পিরোজপুর, কাউখালী, পটুয়াখালী, বরগুনা, ভোলা, আমতলী এলাকায় আট হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া পদ্মা ব্রিজ হয়ে বরিশালে ট্রেন লাইন স্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে।  তা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানাচ্ছি।  তিনি আরও বলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসলে আপনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের সর্বত্র প্রভূত উন্নয়ন ও জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়। এদেশের আপামর জনগন জানে দৃশ্যমান মেগাপ্রকল্প এক মাত্র আওয়ামীলীগের আমলেই  সম্পন্ন হয়েছে।

১৯৭৫সালের ১৫ আগস্টের পর থেকে বাংলাদেশ ছিল পাকিস্তানের আদলে নামেই শুধু বাংলাদেশ। ১৯৮১সালের ১৭ই মে মামনীয় প্রধানমন্ত্রী  আপনি স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন।  আপনি  দেশে ফিরে না এলে অনেক আগেই বাংলাদেশ পাকিস্তানের মত ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হতো। গার্ডিয়ান পত্রিকায় রোহিঙ্গা ইস্যুতে এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যে বিশাল মহানুভবতার পরিচয় দিয়েছেন তা বিরল। ২০১৬ সালে শান্তিতে নোবেলজয়ী কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট হোসে ম্যানুয়েল সান্তোষ আপনাকে বিশ্বমানবতার বিবেক হিসেবে আখ্যায়িত করেন। আরেক নোবেলজয়ী কৈলাস সত্যার্থী  আপনাকে বিশ্বমানবতার আলোকবর্তিকা হিসেবে তুলনা করেছেন। তুসস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ান অভিহিত করেন বিরল মানবতাবাদী নেতা হিসাবে। আত্মমর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত হয়েই এখন দেশ পরিচালনা করছেন আপনি। আপনার পক্ষেই সম্ভব হয়েছে ৬৮বছরের কষ্ট আর ৪১বছরের প্রতীক্ষিত সীমান্ত চুক্তি। আপনার শাসনামলে সমুদ্রসীমা জয় করেছে বাংলাদেশ, যা বাংলাদেশের ভৌগোলিক ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে থাকবে। বিশ্বব্যাংককে চ্যালেঞ্জ করে নির্মিত হচ্ছে দেশের বৃহত্তম সেতু পদ্মা সেতু। এই মহাদুর্যোগের মধ্যেও পদ্মাসেতুর কাজ চলমান রয়েছে। বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদায় উন্নীত করার সবক্ষেত্র প্রস্তুত করেছেন।  আপনাকে মানবিক বিশ্বের প্রধান নেতা  আখ্যায়িত করেছেন অক্সফোর্ড নেটওয়ার্কঅব পিস্থ নামক একটি সংস্থা। শ্রীলংকার গার্ডিয়ান প্রত্রিকা তুলনা করে জোয়ান অব আর্ক এর সঙ্গে। আপনার সরকারের  অন্যতম সাফল্য শিক্ষার  উন্নয়নে  প্রথামিক শিক্ষাকে সর্বজনীন ও বাধ্যতামূলক এবং শতভাগ শিশু স্কুলে ভর্তি নিশ্চিত করণ।


কৃষি উন্নয়ন: কৃষিখাতে ব্যাপক সাফল্য অর্জন । কৃষকদের দশ টাকায় ব্যাংক একাউন্ট খোলার সুযোগ,১৩লক্ষ ৭৬ হাজার প্রান্তিক কৃষককে বিনামূলে সার ও বীজ বিতরন। ২৬৫৩ কি. মি. খাল খনন ও ২৪৭৪টি সেচ অবকাঠামো নির্মাণ ইত্যাদি।


ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনঃ বিশ্বায়নের সকল সুবিধা গ্রহণের লক্ষ্যে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ব্যাপক অগ্রগতি অর্জন, ২০২১ সালের অনেক আগেই ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা সৃষ্টি, বাণিজ্য রপ্তানিতে গড়ে ১৮.৪শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন। ২০১২-১৩অর্থ বছরে ২৭০৩কোটি মার্কিন ডলার আয়। ২০০৮ রপ্তানিতে আয় ছিল ১৪৮০কোটি মার্কিন ডলার। দেশের ব্যবসা বানিজ্যের সম্প্রাসারনের জন্য বাণিজ্য উদারিকরণ। উদার আমদানী নীতি অনুসরণ, জনশক্তি রপ্তানি রেমিটেন্স প্রাপ্তিতে গড়ে ১৪.৫শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন। গত অর্থ বছরে ১৪৫০কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স প্রাপ্তি। ২০০৮ছিল ৮৯৮কোটি মার্কিন ডলার, পরিসংখ্যান দেশের মোট জনসংখ্যা ১৫ কোটি ২৫ লক্ষ ১৮ হাজার ১৫জন, এর মধ্যে ৭ কোটি ৬৩ লক্ষ্য ৫০ হাজার ৫১৮জন পুরুষ এবং ৭ কোটি ৬১ লক্ষ ৬৭ হাজার ৪৯৭ জন নারী। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৩৭ শতাংশ, সরাসরি বিনিয়োগ ব্যাপক বৃদ্ধি, ২০১২ সালে দেশের ইতিহাসে সর্বাধিক ১দশমিক ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বৈদেশিক বিনিয়োগ প্রাপ্তি, শিল্প ৪০হাজার ২৬৬টি ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প স্থাপন, ৮ হাজার ৮৭৬কোটি টাকা বিনিয়োগ. ৩ লক্ষ উনিশ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান।


স্থানীয় সরকারঃ ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ, নারায়নগঞ্জ, কুমিল্লা ও রংপুর সিটি কর্পোরেশন গঠন। ১৬ টি নতুন পৌরসভা গঠন। দেশে নিরাপদ পানির কভারেজ ৮৮ শতাংশ উন্নীতকরণ। ২০৩ কি. মি. নতুন পানির লাইন, ১৫কি. মি. পয়ঃ লাইন ৬৪ কি. মি. ড্রেনেজ লাইন স্থাপন, জনপ্রাসাশনঃ জাতীয় বেতন স্কেল ২০০৯ বাস্তবায়ন। ২৮তম, ২৯তম, ৩০তম ও ৩১তম বিসিএস পরীক্ষায় বিভিন্ন ক্যাডার সার্ভিসে ৫ হাজার ৯৭২জনকে নিয়োগ প্রদান। আরো ৪হাজার ৮১৭জন নিয়োগের কার্যক্রম অব্যাহত। বিজিএমসির ২৭টি পাটকলের মধ্যে ২৩টি চালু করার উদ্যোগ গ্রহন।


স্বরাষ্ট্রঃ ৬২টি থানাকে মডেল থানায় উন্নীত করণ। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে ৬ হাজার ৭৭৩জন পুলিশ সদস্য প্রেরণ। বিদেশে সুনাম অর্জন। কাশিমপুর ও কেরানীগঞ্জে কেন্দ্রীয় কারাগার নির্মান এবং আরোও ১৫টি জেলা কারাগার নির্মান, তথ্য ১টি সরকারী ও ১৪টি বেসরাকারীসহ মোট ১৫টি টেলিভিশন চ্যানেল সম্প্রচারের জন্য অনুমোদন। দেশে প্রথমবারের মত ১৪টি কমিউনিটি রেডিও লাইন্সেস প্রদান।


যুব ও ক্রীড়াঃ  ৮লক্ষ ৪১ হাজার ৯৮০জন যুবককে প্রশিক্ষণ প্রদান। ২লক্ষ ৪০ হাজার ২৬৯জনের আত্মকর্মসংস্থান। ২৭ হাজার ৪২৮কোটি টাকা যুব ঋণ বিতরণ, বৈদেশিক সর্ম্পকঃ ২০১১সালে জাতিসংঘে  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উত্থাপিত “জনগনের ক্ষমতা উন্নয়ন ও উন্নয়ন মডেল” এবং “শান্তির সংস্কৃতি” সর্ব সম্মতিক্রমে পাশ। মায়ানমারের সাথে সমুদ্র জয়ের ফলে বঙ্গোপসাগরের ১লক্ষ ১১হজার ৬৩১বর্গকিলোমিটার এলাকায় বাংলাদেশের সার্বভৌম অধিকার প্রতিষ্ঠিত,ধর্ম মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খৃষ্টান সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব গুলো আনন্দপূর্ন পরিবেশে শান্তিপূর্ণভাবে উৎযাপন। “ধর্ম যার যার উৎসব সবার” এ নীতি অনুসরন। ২০১২সালে বাংলাদেশ থেকে রেকর্ড ১লক্ষ ১১হাজার ২৫৪মুসলমান পবিত্র হজ্জব্রত পালন, নির্বাচণ কমিশন সম্প্রসারণে সার্চ কমিটি গঠন এবং সার্চ কমিটির সুপারশ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন গঠন।


মুক্তিযোদ্ধাঃ মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক সম্মানীভাতা বৃদ্ধির পরিমান ১০ হাজার টাকা থেকে ১২ হাজার টাকায় উন্নীত। বীরশ্রেষ্ঠ পরিবারে রাষ্ট্রীয় সম্মানী ভাতা ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি, আদালত মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে সংঘটিত গনহত্যা, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের বিচারের জন্য দুটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন। যুদ্ধাপরাদীদের বিরুদ্ধে রায় প্রদান অব্যাহত। পিলখানায় সংঘটিত বিডিআর বিদ্রোহের অভিযোগে ৫৭টি ইউনিটের সর্বমোট ১৮ হাজার ৫২০ জনের বিচারকাজ সম্পন্ন। এর মধ্যে ৫ হাজার ৯২৬ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড প্রদান।


সামাজিক নিরাপত্তাঃ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুদ্ধবিধধ্বস্ত বাংলাদেরশের জনগনের দুর্দশা লাগবে ১৪৩টি সামাজিক নিরাপত্তা সুরক্ষা কর্মসূচী চালুকরণ। সামাজিক সুরক্ষা মুলক কর্মসূচির আওতায়  বয়স্কভাতা, বিধবা ভাতা, অসহায় ও দুঃস্থদের ভাতা ইত্যাদি, অর্থনীতি রূপকল্প ২০২১, প্রেক্ষিত পরিকল্পনা (২০১০-২০২১) ও ৬ষ্ঠ পঞ্চবার্ষিকী (২০১১- ২০১৫) পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতি অর্থ বছর লক্ষ্যভেদী বাজেট প্রনয়ন ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করণ। মূল্যস্ফীতি ২০০৮ এর ১৩ শতাংশ থেকে ৭ শতাংশে হ্রাস। মাথাপিছু আয় ২০০৮ সালে ৬৩০ ডলার থেকে ১০৪৪ ডলারে উন্নীত, পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, বান্দরবন ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ পূর্নগঠন। তিন পার্বত্য জেলায় মোবাইল নেটওয়ার্ক স্থাপন। বিদ্যুৎ ও গ্যাস ৪৪৩২ মেগাওয়াট ক্ষমতা  সম্পন্ন ৫৭টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মান। বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৯০৫৯ মেগাওয়াটে উন্নীত। পাবনার রূপপুরে ১০০০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পূন্ন ২টি ইউনিট পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে রাশিয়ার সংগে সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর। কর্ণফুলী টানেল স্থাপন। যোগাযোগ পদ্মা সেতুসহ ১৩টি বৃহৎ সেতু নির্মান। সড়ক ও জনপদ বিভাগঃ ৩০ দশমিক ৫ কিঃ মিঃ নতুন সড়ক, ৪হাজার ৪৬ মিঃ কংক্রিট সেতু নির্মান। ৩৫ কিঃ মিঃ নতুন রেল পথ নির্মান। ১৮০ কিঃ মিঃ রেলপথ পূনবার্সন। পায়রা সমুদ্র বন্দর ও মেট্রোরেল বাস্তবায়ন। ঢাকা থেকে বরিশাল হয়ে পায়রা বন্দর রেল লাইন।


স্বাস্থ্য সেবাঃ গতিশীল ও যুগোপযোগী স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি প্রনয়ণ। শিশু মৃত্যু ও মাতৃমৃত্যু হার হ্রাস করণ। প্রায় ১৫,৫০০ কমিউনিটি ক্লিনিক ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র নির্মাণ। ১৩,৫০০জন কমিউিনিট হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার নিয়োগ। নারী উন্নয়ন নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ ও সুরক্ষা আইন প্রনয়ন। মাতৃত্বকালীন ছুটি চার মাস থেকে ছয় মাসে উন্নীত করণ ইত্যাদি।

মুবার্তা/এস/ই (অনুলেখকঃ রাহাদ সুমন)

ফেসবুকে লাইক দিন