আজঃ শুক্রবার ● ২৯শে চৈত্র ১৪৩০ ● ১২ই এপ্রিল ২০২৪ ● ২রা শাওয়াল ১৪৪৫ ● রাত ৯:২৫
শিরোনাম

By মুক্তি বার্তা

চুল পড়া আপনার তারুণ্যের পিছনে বাঁধা, কি করবেন তাহলে?

প্রতিকি ছবি

দীর্ঘক্ষণ চুলের গোড়া ভিজে থাকায় আলগা হয়ে চুল ঝরে যেতে থাকে। সময় মতো ব্যবস্থা নিতে না পারলে অকালেই বেশির ভাগ চুল ঝরে গিয়ে মাথা ‘গড়ের মাঠ’ হয়ে যেতে পারে! নারী বা পুরুষ— উভয়ের জন্যই চুলের সৌন্দর্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, স্বাস্থ্যজ্জ্বল সুন্দর চুল সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি আমাদের ব্যক্তিত্বের ওপরেও প্রভাব ফেলে। চুল ঝরার সমস্যা সকলের ক্ষেত্রেই খুবই বিব্রতকর এবং যন্ত্রণায়দায়ক একটি সমস্যা। বর্ষাকালে বাতাসে জলীয় বাষ্প এবং আর্দ্রতার পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় ভিজে চুল সহজে শুকতে চায় না।

কী করবেন ভাবছেন? বাজারে উপলব্ধ রাসায়নিক যুক্ত উপাদান কাজে লাগানোর আগে শরীরের কয়েকটি প্রেশার পয়েন্ট কাজে লাগিয়ে দেখতে পারেন। উপকার পাবেন। আসুন জেনে নেওয়া যাক এমন কয়েকটি প্রেশার পয়েন্ট সম্পর্কে, যেগুলি অস্বাভাবিক হারে চুলের ঝরে যাওয়া রোধ করে চুলের বৃদ্ধি ও চুল মজবুত হতে সাহায্য করে।

আকুপ্রেসার একটি লাতিন শব্দ। এখানে ‘আকু’ অর্থ হল সূচ আর ‘প্রেসার’-এর অর্থ চাপ। আকুপাংচার বা আকুপ্রেশার হল একটি সমৃদ্ধ বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতি।


মূলতঃ প্রাকৃতিক পরিবর্তন, আবহাওয়া ও আধুনিকতা এসবের জন্যে দায়ী। তবে চুল পড়ার কিছু কিছু প্রাকৃতিক কারণ থাকলেও শারীরিক কিছু সমস্যাও এর কারণ হতে পারে। যেমন হরমোনাল ইমব্যালেন্স, থাইরয়েড, শরীরে পুষ্টির অভাব কিংবা মাথায় রক্ত চলাচল সঠিক ভাবে না হওয়া। চুল পড়াটা একসময় খুব বড় আকার ধারণ করতে পারে। এক্ষেত্রে কখনো মাথায় টাক পড়ে যাওয়ার মতন সমস্যাও দেখা যায়। অত্যধিক চুল পড়ার ফলে পুরুষদের অধিক ক্ষেত্রে মাথার তালুর চুল কমতে দেখা যায়, মহিলাদের ক্ষেত্রে চুলের দৈর্ঘ্য পাতলা হয়ে যায় কিংবা সিঁথি ফাঁকা হয়ে যায়। তবে চুল পড়ার সমস্যা কেবল যে বড়দেরই হয় তা নয়, শিশুদের ক্ষেত্রেও এটি লক্ষ্য করা যায়। প্রতিদিন ৫০ থেকে ১০০ টি চুল পড়লে সেটি স্বাভাবিক। কিন্তু এটির পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে সেটিকে চুল পড়ার সমস্যা হিসেবে ধরা হয়। মূলত বালিশের কভারে কিংবা স্নানের তোয়ালেতে যদি চুলের আধিক্য লক্ষ্য করা যায় তবে সে ক্ষেত্রে চুলের পরিচর্যার দিকে নজর দিতে হবে এবং এই পরিমাণ যদি অত্যধিক বৃদ্ধি পায় সে ক্ষেত্রে ডাক্তার দেখাতে হবে। কারণ, কেবলমাত্র বাহ্যিক কারণেই চুলের ক্ষতি হয় না, এর জন্য অন্তর্নিহিত কিছু কারণও থাকতে পারে। এক নজরে জেনে নিন চুল পড়ার কারণ গুলি এবং মিলিয়ে নিন কোন সমস্যাটি আপনার রয়েছে।

বর্তমানে চুল পড়ার সমস্যা নারী ও পুরুষ উভয়ের মধ্যেই দৃশ্যমান। মূলতঃ প্রাকৃতিক পরিবর্তন, আবহাওয়া ও আধুনিকতা এসবের জন্যে দায়ী। তবে চুল পড়ার কিছু কিছু প্রাকৃতিক কারণ থাকলেও শারীরিক কিছু সমস্যাও এর কারণ হতে পারে। যেমন হরমোনাল ইমব্যালেন্স, থাইরয়েড, শরীরে পুষ্টির অভাব কিংবা মাথায় রক্ত চলাচল সঠিক ভাবে না হওয়া। চুল পড়াটা একসময় খুব বড় আকার ধারণ করতে পারে। এক্ষেত্রে কখনো মাথায় টাক পড়ে যাওয়ার মতন সমস্যাও দেখা যায়। অত্যধিক চুল পড়ার ফলে পুরুষদের অধিক ক্ষেত্রে মাথার তালুর চুল কমতে দেখা যায়, মহিলাদের ক্ষেত্রে চুলের দৈর্ঘ্য পাতলা হয়ে যায় কিংবা সিঁথি ফাঁকা হয়ে যায়। তবে চুল পড়ার সমস্যা কেবল যে বড়দেরই হয় তা নয়, শিশুদের ক্ষেত্রেও এটি লক্ষ্য করা যায়। প্রতিদিন ৫০ থেকে ১০০ টি চুল পড়লে সেটি স্বাভাবিক। কিন্তু এটির পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে সেটিকে চুল পড়ার সমস্যা হিসেবে ধরা হয়। মূলত বালিশের কভারে কিংবা স্নানের তোয়ালেতে যদি চুলের আধিক্য লক্ষ্য করা যায় তবে সে ক্ষেত্রে চুলের পরিচর্যার দিকে নজর দিতে হবে এবং এই পরিমাণ যদি অত্যধিক বৃদ্ধি পায় সে ক্ষেত্রে ডাক্তার দেখাতে হবে। কারণ, কেবলমাত্র বাহ্যিক কারণেই চুলের ক্ষতি হয় না, এর জন্য অন্তর্নিহিত কিছু কারণও থাকতে পারে। এক নজরে জেনে নিন চুল পড়ার কারণ গুলি এবং মিলিয়ে নিন কোন সমস্যাটি আপনার রয়েছে।


বর্তমানে চুল পড়ার সমস্যা নারী ও পুরুষ উভয়ের মধ্যেই দৃশ্যমান। মূলতঃ প্রাকৃতিক পরিবর্তন, আবহাওয়া ও আধুনিকতা এসবের জন্যে দায়ী। তবে চুল পড়ার কিছু কিছু প্রাকৃতিক কারণ থাকলেও শারীরিক কিছু সমস্যাও এর কারণ হতে পারে। যেমন হরমোনাল ইমব্যালেন্স, থাইরয়েড, শরীরে পুষ্টির অভাব কিংবা মাথায় রক্ত চলাচল সঠিক ভাবে না হওয়া। চুল পড়াটা একসময় খুব বড় আকার ধারণ করতে পারে। এক্ষেত্রে কখনো মাথায় টাক পড়ে যাওয়ার মতন সমস্যাও দেখা যায়। অত্যধিক চুল পড়ার ফলে পুরুষদের অধিক ক্ষেত্রে মাথার তালুর চুল কমতে দেখা যায়, মহিলাদের ক্ষেত্রে চুলের দৈর্ঘ্য পাতলা হয়ে যায় কিংবা সিঁথি ফাঁকা হয়ে যায়। তবে চুল পড়ার সমস্যা কেবল যে বড়দেরই হয় তা নয়, শিশুদের ক্ষেত্রেও এটি লক্ষ্য করা যায়। প্রতিদিন ৫০ থেকে ১০০ টি চুল পড়লে সেটি স্বাভাবিক। কিন্তু এটির পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে সেটিকে চুল পড়ার সমস্যা হিসেবে ধরা হয়। মূলত বালিশের কভারে কিংবা স্নানের তোয়ালেতে যদি চুলের আধিক্য লক্ষ্য করা যায় তবে সে ক্ষেত্রে চুলের পরিচর্যার দিকে নজর দিতে হবে এবং এই পরিমাণ যদি অত্যধিক বৃদ্ধি পায় সে ক্ষেত্রে ডাক্তার দেখাতে হবে। কারণ, কেবলমাত্র বাহ্যিক কারণেই চুলের ক্ষতি হয় না, এর জন্য অন্তর্নিহিত কিছু কারণও থাকতে পারে। এক নজরে জেনে নিন চুল পড়ার কারণ গুলি এবং মিলিয়ে নিন কোন সমস্যাটি আপনার রয়েছে।

এক নজরে দেখে নিই কিছু নিয়ম মানা যায় কিনা!

০১. রাতে ঘুমানোর আগে চুলের গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত নারিকেল তেল ম্যাসাজ করুন। সকালে শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।

০২. অ্যালোভেরা জেল ব্লেন্ড করে চুলে ১ ঘণ্টা লাগিয়ে রেখে মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি চুল পড়া কমানো ও মাথার ত্বকের চুলকানি দূর করবে।

০৩. ডিমের কুসুমের সঙ্গে সামান্য অলিভঅয়েল ও লেবুর রস মিশিয়ে চুলে ১ ঘণ্টা লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন শ্যাম্পু দিয়ে। এটি চুল পড়া তো বন্ধ করবে এবং দ্রুত বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে।

০৪. অলিভঅয়েল চুলে ম্যাসাজ করে ২০ মিনিট পর কুসুম গরম পানি দিয়ে শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন।

০৫. পেঁয়াজের রস চুলের গোড়ায় ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। এর পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

ফেসবুকে লাইক দিন