আজঃ রবিবার ● ১৫ই অগ্রহায়ণ ১৪২৭ ● ২৯শে নভেম্বর ২০২০ ● ১২ই রবিউস-সানি ১৪৪২ ● রাত ২:৪৯
শিরোনাম

By মুক্তি বার্তা

অর্থপেডিক্স রোগীর অস্ত্রোপাচার করতেন হাসপাতালটির ওয়ার্ডবয় জাহাঙ্গীর হোসেন

ফাইল ছবি

নিউজ ডেস্কঃ মোহাম্মদপুরের নুরজাহান অর্থপেডিক্স রোগীর অস্ত্রোপাচার করতেন হাসপাতালটির ওয়ার্ডবয় জাহাঙ্গীর হোসেন। র‌্যাবের অভিযানে এসব অভিযোগে জাহাঙ্গীর হোসেনকে দুই বছরের কারাদণ্ড ও হাসপাতালটির পরিচালক বাবুর হোসেনকে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন র‌্যাব। একইসঙ্গে অভিযান শেষে হাসপাতালটি সিলগালা করে দেয়া হয়েছে।

বুধবার রাতভর মোহাম্মদপুর ও শ্যামলী এলাকায় তিনটি হাসপাতালে অভিযান চালায় র‌্যাব। এতে নেতৃত্ব দেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসু। অভিযানে সহায়তা করে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

এদিকে ক্রিসেন্ট হাসপাতালের পরিচালক হাজী মোহাম্মদ আবুল হোসেন এইচএসসি পাস। অথচ তিনি একাধারে হাসপাতালটির পরিচালক ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। রোগীদের ভাঙা হাত-পায়ের এক্স-রে দেখে অপারেশনের সিদ্ধান্ত তিনি নিজেই নিতেন।

এ হাসপাতালটির অনুমোদনের মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে আরো চার মাস আগে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে আবুল হোসেনকে এক বছরের কারাদণ্ড ও হাসপাতালটিকে সতর্ক করা হয়েছে।

অভিযানের শুরুতেই রাজধানীর মক্কা-মদিনা হাসপাতালে অভিযান চালানো হয়। সেখানকার পরিচালক নূর নবীরও কোনো ধরনের চিকিৎসা সনদ না থাকার পরও তিনি রোগী দেখছেন এবং তাদের ব্যবস্থাপত্র দিচ্ছেন। হাত-পা ভাঙাসহ বিভিন্ন গুরুতর আহত যে রোগীরা আসছেন, তাদের অপারেশনের জন্য বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছিলেন।

এ অপরাধে হাসপাতালটির পরিচালক নূর নবীকে এক বছরের কারাদণ্ডসহ আনোয়ার হোসেন কালু ও তার সহযোগী আব্দুর রশিদকে ছয়মাস করে কারাদণ্ড দেয়া হয়। একইসঙ্গে মক্কা-মদিনা হাসপাতালটি সিলগালা করা হয়েছে।

অভিযান শেষে পলাশ কুমার বসু বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রোগীরা উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানীর সরকারি হাসপাতালে আসে। কয়েকটি দালাল চক্র শ্যামলী ও মোহাম্মদপুর থানার বাবর রোডে হাসপাতালে কম খরচে উন্নত চিকিৎসার আশ্বাস দেখিয়ে রোগীদের ভাগিয়ে আনে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে সরকারি হাসপাতাল সম্পর্কে রোগীদের নানা ভুল তথ্য দেয়া।

মুবার্তা/এস/ই

ফেসবুকে লাইক দিন