আজঃ মঙ্গলবার ● ১২ই আশ্বিন ১৪২৯ ● ২৭শে সেপ্টেম্বর ২০২২ ● ২৯শে সফর ১৪৪৪ ● ভোর ৫:২৪
শিরোনাম

Byঃ মুক্তি বার্তা

বানারীপাড়ায় ইউপি চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর জাল করে আরও ৬টি জন্মনিবন্ধন সনদ প্রদান

ফাইল ছবি

বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি
বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার সৈয়দকাঠী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সচিব রুহুল আমিনের স্বাক্ষর জাল করে আরও ৬টি জন্মনিবন্ধন দেয়ার প্রমান পেয়েছেন অত্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন মৃধা। ওই ৬টি জাল স্বাক্ষরের কাগজপত্র বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) দুপুরে তিনি প্রেসক্লাবে জমা দিয়েছেন।
এ সময় সিল কোথায় পেয়েছে এমন প্রশ্ন করা হলে চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন মৃধা জানান, ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা আব্দুল্লাহ আল-মামুন তার এবং সচিবের সিল বানিয়ে বহু আগে থেকেই তাদের স্বাক্ষর নিজে দিয়ে সাধারণ মানুষকে জন্মনিবন্ধনসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিয়ে আসছে।
অনুসন্ধান করলে মামুনের ঘৃণ্য কুকৃর্তির আরও অনেক প্রমান পাওয়া যাবে বলেও জানান এই জনপ্রতিনিধি। সৈয়দকাঠি ইউনিয়নের কয়েকজন ইউপি সদস্য জানান, ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারের
, উদ্যোত্তা মামুন তাদেরও সিল বানিয়ে নিজে স্বাক্ষর দিয়ে সাধারণ মানুষের বিভিন্ন আবেদন সঠিক করে দেয় অর্থের বিনিময়ে। তারা
সমস্ত বিষয় গুলো  অধিকতর তদন্ত করারও দাবী জানান। এদিকে ৩১ জুলাই রবিবার সকালে উপজেলার সৈয়দকাঠি ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের মসজিদবাড়ী গ্রামের সাবিনা নামের এক নারী ইউনিয়ন পরিষদে নাগরিকত্ব সনদ নিতে গেলে তার জন্মনিবন্ধনে সিল ও স্বাক্ষর দেখে সেখানে উপস্থিত কয়েকজন ইউপি সদস্যের সন্দেহ হয়।
এ সময় তাকে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান, তার কাছ থেকে ৩ শত টাকা নিয়ে মামুন ও স্থানীয় প্রি-ক্যাডেট স্কুলের শিক্ষক
সাখাওয়াত গত ৫ জুন জন্মনিবন্ধন দেয় তাকে। ২ আগস্ট সকালে
 সৈয়দকাঠি ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মৃধা বিষয়টি ইউএনও রিপন কুমার সাহা ও থানার ওসি এসএম মাসুদ আলম চৌধুরী অবহিত করলে  খবর পেয়ে পুলিশ তাদেরকে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে আটক করে বানারীপাড়া থানায় নিয়ে আসেন। ওইদিন রাতে
  উদ্যোক্তা আব্দুল্লাহ্ আল-মামুন ও শিক্ষক সাখওয়াত হোসেনকে আসামী করে সৈয়দকাঠি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন মৃধা বানারীপাড়া থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে ৩ আগস্ট সকালে  তাদেরকে বরিশাল জেলহাজতে পাঠানো হয়। তিন দিন হাজতবাস করার পরে তারা জামিনে বের হন।

ফেসবুকে লাইক দিন