আজঃ শুক্রবার ● ২৯শে চৈত্র ১৪৩০ ● ১২ই এপ্রিল ২০২৪ ● ২রা শাওয়াল ১৪৪৫ ● রাত ৯:০৬
শিরোনাম

By Editor/মুক্তি বার্তা

ব্যাকডেটে শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগে চৌগাছায় পাশাপোল মডেল কলেজের এমপিও বন্ধ

যশোরের চৌগাছার পাশাপোল আমজামতলা মডেল কলেজে ব্যাকডেটে (পিছনের তারিখে) শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগে কলেজটির অধ্যক্ষসহ সকলের এমপিও বন্ধ ঘোষনা করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সদ্য এমপিওভুক্ত হওয়া প্রতিষ্ঠানটিতে একজন শিক্ষককে ব্যাকডেটে নিয়োগ দিয়ে এমপিও ভুক্তির চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অপর একজন শিক্ষকের দায়ের করা একটি অভিযোগ আমলে নিয়ে তা জরুরি ভিত্তিতে তদন্ত কওে মতামতসহ প্রতিবেদন প্রেরন করতে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের সরকারি কলেজ-৫ শাখার উপসচিব মইনুল হাসানকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ১৩ আগষ্ট শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের সহকারি পরিচালক আব্দুল কাদের স্বাক্ষরিত ৩৭.০২.০০০০.১০৫.৩১.০৩৫.২০.২৫৬ স্মারকের একটি চিঠিতে তদন্তের সময় পত্রিকার বিজ্ঞপ্তি,রেজুলেশন রেজিষ্টারডিজির প্রতিনিধি,নিয়োগ পরীক্ষার/কমিটির কলের স্বাক্ষরিত তুলনামূলক বিবরনী শিক্ষকদেও হাজিরা খাতা কলেজের বেতন বিবরনীসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়গুলো পরীক্ষা করতেও নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। এবং অভিযোগের বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর “পাশাপোল আমজামতলা মডেল কলেজ” চৌগাছা,যশোর এর অধ্যক্ষসহ সকল শিক্ষ কর্মচারীর এমপিও বন্ধ করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত ওই কলেজের রসায়ন বিভাগের প্রভাষক তরুন কান্তি অভিযোগ করেন যে,তিনি কলেজটিতে ২০০৪ সাল থেকে উক্ত পদে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে দায়িত্ব পালন করছেন। কিন্তু কলেজটির অধ্যক্ষ তাকে বাদ দিয়ে অবৈধভাবে বখতিয়ার উদ্দীনকে ব্যাকডেট (পিছনের তারিখ) নিয়োগ দিয়ে এমপিওভ’ক্তির জন্য অনলাইনে সমুদয় কাগজপত্র দাখিল করেছেন।
অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষসহ সব শিক্ষক-কর্মচারীর এমপিও ইতোমধ্যে বন্ধ করা হয়েছে। বিষয়টি জানিয়ে একটি আদেশও জারি করা হয়েছে। তবে, অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম। তিনি জানান, ২০০৪ সাল থেকে তরুন কান্তি প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ নেন। পরে চলে যান। আবার ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দে ফিরে আসেন। আবারও চলে যান। পরে ২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হলে তিনি আবার ফিরে এসেছিলেন। কিন্তু তার নিবন্ধন সনদ ছিল না। তাই তাকে প্রভাষক নয়, প্রদর্শক পদে এমপিওভুক্তির আবেদন করা হয়েছিল। তিনি এমপিওভুক্ত হয়ে বেতন-ভাতাও তুলেছিলেন।  তরুন কান্তির বড় ভাই মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রনালয়ে সচিব পর্যায়ে কর্মরত। তিনিই তদবির করে সবার এমপিও বন্ধ করেছেন। নীতিমালার সকল শর্ত পূরণ করে দীর্ঘদিন অপেক্ষার পর এমপিওভুক্ত হতে পেরেছি। এখন একজনের জন্য সকলের এমপিও বন্ধ হলো।

মুবার্তা/এস/ই

ফেসবুকে লাইক দিন