আজঃ মঙ্গলবার ● ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ ● ১৮ই আগস্ট ২০২৬ ● ৪ঠা রবিউল-আউয়াল ১৪৪৮ ● সন্ধ্যা ৬:০৩
শিরোনাম

By মুক্তি বার্তা

বরিশালে স্বামীর ২০ লাখ টাকা নিয়ে    ছাত্রলীগ নেতার সঙ্গে প্রবাসীর স্ত্রী উধাও !

ফাইল ছবি

রাহাদ সুমন,বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি॥
পরকীয়া প্রেমে মজে বরিশালের মুলাদীতে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী মুরাদ হোসেন এক প্রবাসীর স্ত্রী ও দুই সন্তানের জননীকে নিয়ে উধাও হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ সময় প্রবাসীর স্ত্রী নগদ ২০ লাখ টাকা ও ৪ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার নিয়ে গেছে বলে তার শ্বশুর অভিযোগ করেছেন। এ ঘটনায় জেলাজুড়ে তোলপাড় ও মুখরোচক আলোচনা শুরু হয়েছে। আসমা খানম লাকী উপজেলার চরকালেখান ইউনিয়নের ৭, ৮, ৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত সদস্য এবং চরকালেখান ইউনিয়নের আবুল হাসেম কাজীর ছেলে কুয়েত প্রবাসী মোতালেব কাজীর স্ত্রী। বর্তমানে আবুল হাসেম কুয়েতে রয়েছেন।

আসমা খানম লাকী উপজেলার ষোলঘর গ্রামের আকতার খানের মেয়ে। কাজী মুরাদ উপজেলা সদরের মৃত আতাহার আলী কাজীর ছেলে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার দুপুরে মুলাদী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন লাকীর শ্বশুর। আবুল হাসেম জানান, ১৭ বছর আগে মোতালেবের সাথে লাকীর বিয়ে হয়। বিবাহিত জীবনে তাদের ১ পুত্র ও ১ কন্যা সন্তান রয়েছে। ২০১৬ সালের ইউপি নির্বাচনের সময় আসমা খানম লাকী সংরক্ষিত মহিলা সদস্য প্রার্থী হন। তখন থেকে ছাত্রলীগ নেতা  মুরাদের সাথে তার পরিচয় হয়।

পরিচয়ের সূত্র ধরে এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে পরকীয়া প্রেম ও অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি গ্রামবাসীও জানে। তারপরও সংসারে দুটি সন্তান থাকায় লাকীকে ভালো হওয়ার জন্য বলা হয়। কিন্তু তাদের অনৈতিক সম্পর্ক চলতে থাকে।  আবুল হাসেম বলেন, বিষয়টি আমার ছেলেও অবহিত। ছেলেমেয়ের মুখের দিকে চেয়ে কঠোর কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। তবে এ ঘটনা ছেলেকে জানানো হয়েছে। সে দ্রুতই দেশে আসবে। দেশে এসে লাকীকে তালাক দেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। তিনি আরো বলেন, ১৬ নভেম্বর লাকী তার প্রেমিকের সাথে পালিয়ে যাওয়ার সময় আমার ছেলের পাঠানো নগদ ২০ লাখ টাকা ও ৪ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়। অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা জানিয়ে মুলাদী থানার ওসি ফয়েজ উদ্দীন মৃধা জানান, বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার প্রক্রিয়া চলছে।

বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক জানান, মুলাদী উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী মুরাদ হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়টি শুনেছি। তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। এ প্রসঙ্গে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী মুরাদ হোসেনের সাথে যোগাযোগের জন্য তার ব্যবহৃত মোবাইল বন্ধ পাওয়ায় তার মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

মুবার্তা/এস/ই

ফেসবুকে লাইক দিন