আজঃ রবিবার ● ১১ই আশ্বিন ১৪২৮ ● ২৬শে সেপ্টেম্বর ২০২১ ● ১৮ই সফর ১৪৪৩ ● সন্ধ্যা ৭:৫৩
শিরোনাম

By: মুক্তি বার্তা

এই যুগেও গৃহবধূকে মধ্যযুগীয় কায়দায় সাপ দিয়ে দংশন করিয়ে নির্যাতন

ফাইল ছবি

নিউজ ডেস্কঃ ফেনি জেলার পরশুরামে শশুর, শাশুড়ি, দেবর, ননদ, ননদের স্বামী কর্তৃক গৃহ বধূকে অমানুষিক নির্যাতন “”

পরশুরামের “সাতকুচিয়া” গ্রামের চৌধুরী বাড়ির মৃত আবুল হাসেম মিয়ার বড় ছেলে লিখন আহম্মেদ এর স্ত্রীকে তাহার মাতা-খাইরুন নেছা, দেবর- মোঃ রাসেল, বোন-নুর নাহার, হাছিনা ও সামছুন নাহার, বোনের স্বামী -আবুল কাশেম, ভাগিনা- মোহাম্মদ হোসেন কর্তৃক দীর্ঘ দিন যাবত যৌতুকের জন্য নানা ভাবে শারীরিক ও মানসিকভাবে অত্যাচার করিয়া আসিতেছে, বিয়ে হওয়ার ৫ বছর যাবত অনেক সময় মেয়ের বাবা- মা মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে সব সময় টাকা পয়সা জিনিসপত্র দিত যাতে তাদের মেয়ে সুখে থাকে। মেয়ে ও সমাজ সংসারের লোক লজ্জার ভয়ে নিরবে সব সহ্য করে আসছে। মেয়েকে শশুর বাড়ির লোকজন বলে টাকা না দিলে তালাক দিয়ে দিবে।
মেয়েকে পরে মেরে ফেলার জন্য সাপ নিয়ে এসে গোপনে মুরগীর খোয়াড়ে রেখে তাকে সাপ দিয়ে দংশন করায় গত ০৭-০৮-২০২১ইং, যার ছবি দেওয়া আছে, সাপ দিয়ে দংশনের পর তাকে মেরে ফেলার জন্য গ্রাম্য ওজার কাছে নিয়ে দায়িত্ব শেষ করে দুপুুর ২টার সময় সাপে কামড়ালে তারা ডাক্তারের কাছে নিয়ে যায় না।, পরে অমির মা খবর শুনে রাত ১০ টার সময় ফেনী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার জানায় অমির বেঁচে থাকার সম্ভাবনা নাই। পরবর্তীতে চট্টগ্রাম মেডিকেল রেফার করে।সেখানে অমির চিকিৎসা হলেও সারজীবনের জন্য বাকশক্তি হারায় সে।কর্তব্যরত ডাক্তাররা জানায় মানসিক নির্যাতন ও সাপের বিষের কারণে এই অবস্থা হয় মেয়ের এই বিপদের দিনে তার স্বামী চিকিৎসার জন্য এক টাকাও দিবেনা বলে জানিয়ে দেয়।
মেয়েকে নয়দিন পর হাসপাতাল থেকে এনে বাসায় অক্সিজেন দিয়ে রাখার পরও মেয়ে বাবার বাড়িতে ছেলের পরিবার আরো লোকজন নিয়ে এসে অমিদের নতুন ফাঁকা বাড়ি থেকে অমিকে জোর করে তুলে নিয়ে যেতে চাইলে অমির মা, বোন, জেঠা বাধা দিলে তাদের মারধোর, গালাগালি করে ঘরের আসবাবপত্র ভাংচুর , পরে এলাকাবাসী তাড়াদিলে গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যায়।
যাওয়ার সময় অমির পরিবারকে জীবন নাশের হুমকি দিয়ে যায়।
এই অবস্থায় মেয়ের পরিবার নিরাপত্তাহীনতা আছে। ফুলগাজী থানার এবং ঘটনাস্থল পরশুরাম মডেল থানা অফিসার ইনচার্জদের কাছে অনুরোধ এই ঘটনা তদন্ত করে সঠিক বিচার করে দোষীদের আইনের আওতায় আনা হোক।আর কোন অমির যেন স্বপ ভঙ্গ না হয়।

ফেসবুকে লাইক দিন