আজঃ রবিবার ● ৩০শে শ্রাবণ ১৪২৯ ● ১৪ই আগস্ট ২০২২ ● ১৫ই মুহাররম ১৪৪৪ ● দুপুর ২:৫৮
শিরোনাম

By: মুক্তি বার্তা

চায়ের দোকানে আড্ডা-আলাপে যখন এমপি !

ফাইল ছবি

রাহাদ সুমন,বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি॥
মো. শাহে আলম। বরিশাল-২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনের সংসদ সদস্য। ৯০’র স্বৈরাচার বিরোধী গণঅভূত্থানের অগ্রনায়ক শাহে আলম বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালল করে সর্বশেষ সভাপতির আসন অলংকৃত করেছিলেন। ছাত্র সমাজের অহংকার এ নেতা ছিলেন ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রলীগ মনোনীত ভিপি প্রার্থীও। স্কুল জীবনে ছাত্রলীগের মাধ্যমে রাজনীতিতে হাতে খড়ি নেওয়া শাহে আলম তৃনমূল থেকে জাতীয় রাজনীতিতে সমাসীন। গ্রামের সোদা মাটির গন্ধমাখা মুজিব অন্তঃপ্রাণ এ নেতার মাঝে প্রকৃত মাটি ও মানুষের নেতৃত্বের গুনাবলী খুঁজে পাওয়া যায়। ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-২ আসন থেকে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতিক নিয়ে রেকর্ড সংখ্যক ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়ে বানারীপাড়া ও উজিরপুর উপজেলার সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিলেমিশে তিনি একাকার হয়ে গেছেন। বেশিরভাগ সময় এলাকায় অবস্থান নিয়ে রাত-দিন একাকার করে তিনি এ দু’উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে ছুঁটে বেড়াচ্ছেন। ঘুরে ঘুরে নিজ চোখে সাধারণ মানুষের সমস্যা দেখে তা দূর করতে ভূমিকা রাখছেন। দু’উপজেলার কোথায় কোন রাস্তাঘাট,ব্রিজ,কালভার্ট,স্কুল,মাদ্রাসা ও কলেজের ভবনসহ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রয়োজন তা চিহিৃত করে ব্যপক উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করছেন। তার নেতৃত্বে বানারীপাড়া ও উজিরপুর উপজেলার গ্রামীণ জনপদ এখন শহুরে জনপদে রূপ নিয়েছে। গ্রামের হাট-বাজার ও মোড়ের চায়ের দোকানে নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রায়ই চা পান ও  আড্ডা-আলাপে মেতে ওঠা এ সাংসদের সারল্যতা সবাইকে মুগ্ধ করছে। ১০ মে মঙ্গলবার সন্ধ্যার পরে তিনি বানারীপাড়ার গুয়াচিত্রা বাজারে এক চায়ের দোকানে পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট সুভাষ চন্দ্র শীলসহ নেতা-কর্মীদের নিয়ে চা পান করতে যান। এসময় তাকে পেয়ে স্থানীয়রা আবেগআপ্লুত ও  উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন। এদিকে পৌর শহরের বাড়ি ও দলীয় কার্যালয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ তার সঙ্গে দেখা করতে আসেন। তার কাছে আগন্তুকদের মধ্যে কারও দাবি জমিসহ ঘর,কারও ঢেউটিন,কারও টিউবওয়েল,আবার কারও চিকিৎসা সহায়তা প্রভৃতি। তিনিও তার সাধ্যমত এসব দাবি পূরণ করছেন। যেকোন সময় যে কেউ সরাসরি তার কাছে যেতে পারায় তিনি সবার আপনজন হয়ে উঠেছেন। এমপি হয়েও সাধারণ মানুষের সঙ্গে সাধারণের মত অন্তরঙ্গভাবে মিশে যাওয়ায় তিনি সর্বমহলে প্রশংসা কুড়িয়ে গণমানুষের এক নেতায় পরিণত হয়েছেন।

ফেসবুকে লাইক দিন